লেজার কাটিং থ্রি-পিসের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা হলো হাতা, কামিজের নিচ আর পায়জামার পাড়ের জালি। এই অংশগুলো একটু যত্ন চায়। ভালো খবর হলো, যত্নটা মোটেও কঠিন না — কয়েকটা অভ্যাস বদলালেই সেটটা অনেক দিন নতুনের মতো থাকে।
১. প্রথম ধোয়াটা আলাদা করে
নতুন কাপড়ে, বিশেষ করে গাঢ় রঙে, প্রথমবার সামান্য রং উঠতে পারে। তাই প্রথমবার সেটটা অন্য কাপড়ের সাথে না মিশিয়ে আলাদা করে ধুয়ে নিন। এক চামচ লবণ মেশানো ঠান্ডা পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে রং আরও ভালোভাবে বসে।
২. ঠান্ডা পানি আর হালকা ডিটারজেন্ট
গরম পানিতে সুতো আর কাটিংয়ের পাড় দুটোরই ক্ষতি হয়। ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি আর হালকা লিকুইড ডিটারজেন্ট ব্যবহার করুন। পাউডার ডিটারজেন্ট দিলে আগে পানিতে ভালো করে গুলে নিন।
৩. কাটিংয়ের জায়গা ঘষবেন না
কাপড় কাচার ব্রাশ বা জোরে ঘষা — কোনোটাই লেজার কাটিংয়ের পাড়ের জন্য ভালো না। ময়লা থাকলে আলতো করে হাত দিয়ে চেপে চেপে ধুয়ে নিন। ওয়াশিং মেশিনে দিলে অবশ্যই উল্টো করে, একটা লন্ড্রি ব্যাগে ভরে, জেন্টল মোডে দিন।
৪. মোচড়াবেন না, চেপে পানি ঝরান
ভেজা কাপড় জোরে মোচড়ালে কাটিংয়ের ফুলগুলো টান খেয়ে বাঁকা হয়ে যেতে পারে। তার বদলে কাপড়টা একটা শুকনো তোয়ালের ভেতর রেখে চেপে পানি ঝরিয়ে নিন।
৫. উল্টো করে ছায়ায় শুকান
কড়া রোদে রং দ্রুত ফিকে হয়। কাপড় উল্টো করে ছায়ায় বা বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় শুকান। কামিজ হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে দিলে ভাঁজও কম পড়ে।
৬. উল্টো পিঠে মাঝারি তাপে আয়রন
আয়রন করুন উল্টো পিঠে, মাঝারি তাপে। এমব্রয়ডারি বা কাটিংয়ের ওপর সরাসরি গরম আয়রন না চেপে একটা পাতলা সুতি কাপড় ওপরে দিয়ে নিন। কারচুপির কাজ থাকলে সেই অংশে আয়রন একেবারেই করবেন না।
রাখার সময় ছোট একটা টিপস
আলমারিতে রাখার সময় কাটিংয়ের অংশ ভেতরের দিকে ভাঁজ করে রাখুন, যাতে অন্য কাপড়ের হুক বা বোতামে আটকে না যায়। আর দীর্ঘদিন না পরলে মাঝে মাঝে বাতাসে মেলে দিন।
নিয়মগুলো মানলে আপনার লেজার কাটিং থ্রি-পিস অনেক ধোয়ার পরও সুন্দর থাকবে। নতুন ডিজাইন দেখতে ঘুরে আসুন আমাদের লেজার কাটিং কালেকশন থেকে।
